Islamic guidance on responsible-age marriage, parental duty in arranging marriage, and prevention of social corruption through timely nikah.

বাল্যবিবাহ নিয়ে ভুল ধারণা | বিয়ে দেরি করলে সমাজে কেন ছড়ায় অশান্তি | ইসলাম আসলে কী শিক্ষা দেয় | Halal Dizworld

বাল্যবিবাহ নয়, দায়িত্বের বিবাহই ইসলাম শিক্ষা দেয়। ছেলে-মেয়ে যখন উপযুক্ত, তখনই পিতামাতার দায়িত্ব তাদের বিয়ে নিশ্চিত করা। বিয়ে না করলে শুধু সন্তান নয়, পুরো সমাজে ফিতনা ছড়াতে পারে।

ইসলাম বাল্যবিবাহের কোনো নির্দিষ্ট বয়স দেয়নি। মূল কথা হলো উপযুক্ত বয়সে ছেলে-মেয়ের জন্য দায়িত্বশীল পিতামাতা তাদের বিয়ে করাবে। না হলে, যদি তারা খারাপ পথে চলে, দায়ভারও পিতামাতার।

আল্লাহ তাআ’লা বলেছেন, যারা অবিবাহিত, তাদের বিয়ে দাও। যারা দাস-দাসী, তাদেরও সৎভাবে বিবাহ করাও। অভাব হলে আল্লাহ তাদের নিজের দানেই অভাবমুক্ত করবেন। প্রভুর দয়া সর্বব্যাপী ও সর্বজ্ঞ [সূরা নূর ৩২]

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যদি কারো দ্বীন ও চরিত্র তোমাদের পছন্দ হয়, তাহলে তার সঙ্গে বিয়ে করো। না হলে পৃথিবীতে ফিতনা ও বিশৃঙ্খলা বাড়বে।” (তিরমিজি ১০৮৪, সহিহ)
অর্থাৎ, ইচ্ছাকৃতভাবে বিয়ে না করলে সমাজে জিনা, ফিতনা ও অশান্তি ছড়িয়ে পড়ে।

আরেকটি হাদিসে আছে, ছেলে বড় হলে পিতার দায়িত্ব বিয়ে করানো। যদি পিতা দায়িত্ব এড়িয়ে যান, তবে ছেলের গুনাহের দায়েও তিনি অংশী হন [শুআবুল ঈমান ৬/৪০১]

বাল্যবিবাহ নিষেধের আইন প্রথম প্রবর্তিত হয় ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯২৯ সালে, Child Marriage Restraint Act বা শারদা আইন নামে। বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর ১৯৭১ থেকে এটি কার্যকর করা হয়, ২০১৭ সালে মেয়েদের জন্য ১৮ এবং ছেলেদের জন্য ২১ বছর বয়স নির্ধারণ করা হয়।

এখন প্রশ্ন হলো, আপনি কি ইসলামের প্রণীত আইন মানবেন নাকি মানুষের প্রণীত বয়সের আইন? আল্লাহর আইনের বাইরে গিয়ে সন্তানদের চরিত্রের ক্ষতি কেন?

Copyright © 2022 Halal Dizworld || ALL RIGHT RESERVED