নারীর বাহ্যিক কর্মদক্ষতা vs স্বামীর প্রতি আনুগত্য: আজকের সংকট

“পর্দা করে সব করা যায়” আসলে কি হারাচ্ছে আমাদের সমাজ? বিস্তারিত দেখুন… . Rizwan Ahmed

উচ্চশিক্ষা যত বেড়েছে, ডিভোর্সও তত বেড়েছে।
কেন জানেন?

কারণ, নারীর আসল সিফাত ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। বাইরে দেখবেন ওরা প্রাণপণে সবকিছু করছে – বিড়াল প্রেম, পশু প্রেম, ভলেন্টিয়ারিং, রাত জাগা টিম ওয়ার্ক, উৎসবের প্রস্তুতি, ছেলে বন্ধুদের সাথে খুনসুটি… সবকিছুতেই উজাড় করে দিচ্ছে।

কিন্তু স্বামীর ঘরে এসে? স্বামীর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বী! স্বামীর প্রতি জিরো টলারেন্স! স্বামী ৪০ হাজার টাকা কামাই করে স্ত্রীকে ২০ হাজার দিলেও অনুগত হবেন না। অথচ সেই নারী ১৫/২০ হাজার টাকার জন্য সুপারশপে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে বসের আনুগত্য করে, কাস্টমারকে খুশি করতে সবকিছু উজাড় করে দেয়।

বাইরে বসের আনুগত্য – স্বাভাবিক। কিন্তু স্বামীর আনুগত্য – পরাধীনতা! এটাই আজকের বাস্তবতা।

সম্প্রতি এক নিকাবী আপাকে দেখলাম, বিডি ক্লিন টিমের হয়ে গলার সমান পানিতে নেমে পুরুষ স্বেচ্ছাসেবীদের সাথে খাল পরিষ্কার করছেন। কারণ? “পর্দা করে সব করা যায়।”

আজকে রাস্তায়, উৎসবে, ত্রাণ বিতরণে, গাছ লাগানোয়, এমনকি নর্দমা পরিষ্কারেও হিজাবী-নিকাবী মেয়েদের পুরুষের কাঁধে কাঁধ মিলাতে দেখা যায়। পর্দার আসল বিধান নিয়ে তাদের কাছে স্পষ্ট কোনো ধারণাই নেই।

দোষ কার? আমাদেরই। আমরা সহশিক্ষাকে হালাল করেছি, আমরা পর্দার বিধানকে বিকৃত করেছি। ফলে তারাও বলে, “সহশিক্ষায় যদি যাওয়া যায়, তাহলে সমাজের কাজে পুরুষদের সাথে কাজ করা যাবে না কেন?”

আমাদের হাতে কোনো জবাব থাকে না। কারণ, আমরা আল্লাহর বিধান ফেলে রেখে সময়ের চাহিদা আর যুক্তি দিয়ে নিজেদের মতো পর্দা বানিয়েছি। ফল কী? “পর্দা করে সব করা যায়” এই শ্লোগানের আড়ালে এখন ব্যভিচার পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে। হিজাব-নিকাব শুধু বাহ্যিক সাজসজ্জা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, আসল মর্মটা হারিয়ে যাচ্ছে।

পোস্ট লেখকঃ
রিজওয়ান আহমেদ,
গ্রাফিক্স ডিজাইনার,
ফাউন্ডার/প্রতিষ্ঠাতা, সিইও এবং ক্রিয়েটিভ ডাইরেক্টর, হালাল ডিজওয়ার্ল্ড

Copyright © 2022 Halal Dizworld || ALL RIGHT RESERVED