অমুসলিম দেশে ভ্রমণ – জেনে নিন আপনার জন্য ইসলাম কী বলে | Rizwan Ahmed | Byteful Believer
-
Rizwan Ahmed
আজকের ভিডিওতে আমরা আলোচনা করব অমুসলিম দেশে ভ্রমণের বিধান নিয়ে। আপনি কি জানেন, শুধু বিনোদনের উদ্দেশ্যে অমুসলিম দেশে ভ্রমণ করা ইসলামিক শরিয়াতে কি বলা হয়েছে? চলুন জেনে নিই কেন এবং কী কী ক্ষেত্রে এটি জায়েজ নাকি নাজায়েজ হতে পারে।
ভ্রমণের উদ্দেশ্য: ইসলাম আমাদের জীবনযাত্রার প্রতিটি ক্ষেত্রে দিকনির্দেশনা দিয়েছে, ভ্রমণও তার ব্যতিক্রম নয়। শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য অমুসলিম দেশে যাওয়া না-জায়িজ। কারণ, এতে আমাদের দ্বীন ও আখলাক নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে, যদি আপনার উদ্দেশ্য বৈধ হয়, যেমন চিকিত্সা, ব্যবসা, পড়াশোনা, চাকরি, বা দ্বীনের দাওয়াত, তাহলে এর অনুমোদন রয়েছে।
প্রথমত, যদি আপনি অমুসলিম দেশে যান, তাহলে আপনাকে ইসলামিক শরিয়াহ সম্পর্কে এমন পর্যাপ্ত জ্ঞান অর্জন করতে হবে যা আপনাকে দ্বীনের ব্যাপারে সংশয়ে পড়া থেকে রক্ষা করবে। দ্বীনের সঠিক নির্দেশনা এবং নিজেকে হেফাজত করার জ্ঞান আপনাকে নিরাপদ রাখবে।
দ্বিতীয়ত, আপনার চরিত্রে এমন দৃঢ়তা থাকা প্রয়োজন যাতে আপনি সকল ধরণের অশ্লীলতা ও নোংরামি থেকে নিজেকে বিরত রাখতে পারেন। আপনি যেখানে থাকবেন, ইসলামিক মূল্যবোধগুলো যেন সেখানেও আপনাকে পরিচালিত করে।
তৃতীয়ত, সেই দেশে আপনাকে দ্বীন পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকতে হবে। আপনি যদি নিজের দ্বীন পালন করতে না পারেন, তাহলে সেখানে থাকা বা ভ্রমণ করা উচিত নয়।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাদের সকলকে সঠিকভাবে দ্বীন পালন করার তাওফিক দান করুন এবং আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে হেদায়েত দিন।
এই ভিডিওতে কন্ঠ আমার হলেও কথাগুলো “বিলিয়ন ডলার মুসলিম” বইটি থেকে অনুপ্রেরনিত হয়ে বলা। ইন শা আল্লাহ, সকলের উপকারে আসবে। পূর্বে অনেক আলেম-এ-দ্বীনরা এ বিষয়ে অলরেডি মতামত জানিয়েছেন। তারপরেও তাদের কথাগুলো যেন আরো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে তাই এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। সকলে দোয়া করবেন।
