ভাইরাল হওয়ার জন্য নয় বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পড়াশোনা করা জরুরি | Halal Dizworld
-
Rizwan Ahmed
ফেসবুকে “আলহামদুলিল্লাহ” লিখলেই ভাইরাল হয়,
কিন্তু ভাইরাল হলেই তা শরীয়াহ অনুযায়ী জায়েয হয়ে যায় না।
ইসলামের নিয়ম আপনি-আমি বানাইনি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা নিজেই শরীয়াহর সীমা নির্ধারণ করেছেন। (সূরা আল-বাকারা 2:229)
শিক্ষা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু সেটা এমন নয় যে, ফিতনার মাঝে, সহশিক্ষার পরিবেশে, পর্দাহীন জায়গায় গিয়েই পড়তে হবে। আল্লাহ বলেন, “তোমরা নিজেদের ও পরিবারের লোকদের আগুন থেকে রক্ষা করো।” (সূরা আত-তাহরিম 66:6)
বিয়ে এমন কিছু না যা ডিগ্রি দেখে হয়। বিয়ে তকদীরের বিষয়, “কোনো বিপদ তোমাদের স্পর্শ করে না, তা আমি আগেই লিখে রেখেছি।” (সূরা আল-হাদীদ 57:22)
আর যদি আফসোস করতেই হয়, তবে সেটা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কিছু ছাড়তে পারার আফসোস হওয়া উচিত নয়। হাদিসে আছে, “যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য কিছু ত্যাগ করে, আল্লাহ তাকে তার চেয়ে উত্তম কিছু দেন।” (মুসনাদ আহমদ 23074)
আমার জন্যও শিক্ষা জরুরি, কিন্তু সেটা ফিতনার পরিবেশে নয়। স্কিল আর সার্টিফিকেট এক জিনিস না। স্কিল রিজিক দেয়, সার্টিফিকেট শুধু পরিচয় দেয়।
অনেক বোন পড়াশোনা শেষ না করে থেমেছেন, শুধু রবের সন্তুষ্টির জন্য। “যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, আল্লাহ তার জন্য যথেষ্ট।” (সূরা আত-তালাক 65:3)
তাই একবার নিয়্যাত যাচাই করো। আফসোস হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ছেড়ে আসায়, নাকি মানুষের প্রশংসা হারানোর জন্য? 💭 কারণ নিয়্যাত ঠিক থাকলে, যা ছাড়ো আল্লাহর জন্য তা হারানো নয়, বরং বরকতের শুরু। 🌙
🌿 মনে রাখো, আফসোস তখনই হয়, যখন নিয়্যাত থাকে মানুষ দেখানোর জন্য। আর যদি নিয়্যাত থাকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, তাহলে কিছু ছাড়াও কখনো ক্ষতি হয় না বরং বরকত বাড়ে।
