বেশি বয়সে বিয়ে করার অপকারিতা | Rizwan Ahmed
-
Rizwan Ahmed
অনেকে ভাবে, আগে প্রতিষ্ঠিত হব তারপর বিয়ে করব। চাকরি, আয়, স্থিতি সব ঠিক হলে বিয়েও ঠিক হয়ে যাবে। কথা শুনতে সুন্দর, কিন্তু বাস্তবে বেশ কিছু মানবিক দিক থেকে ঝামেলা থেকে যায়।
বয়স বাড়লে মানুষ চাইলেও একটু বেশি গাম্ভীর্য আর কঠিন ভাব তৈরি হয়ে যায়। তখন বিয়ে মানে হয় দায়িত্ব পালন, কিন্তু সম্পর্কের সৌন্দর্যটা একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, একে অন্যকে নতুনভাবে জানা, দুষ্টুমি, হাসি – এসব যেন চাপা পড়ে যায়। বিয়ের আসল আনন্দ আর মানসিক উপকারিতা সেভাবে পাওয়া যায় না।
তারপর আসে সময়ের হিসাব। বেশি বয়সে বিয়ে করলে দ্রুতই সন্তান নেয়ার প্রয়োজন দেখা দেয়। স্বামী-স্ত্রী নিজেদের জন্য আলাদা সময়ই পান না। একদিকে সংসার শুরু করা, অন্যদিকে সন্তানের দায়িত্ব দুটোই একসাথে সামলাতে হয়। এতে অনেক দম্পতি সম্পর্ক গড়ার সেই কোমল সময়টাই হারিয়ে ফেলেন।
ফলাফল?
যে বোঝাপড়াটা ধীরে ধীরে গড়ে ওঠার কথা ছিল, সেটা ঠিকভাবে গড়ে ওঠে না। ভুল বোঝাবুঝি, ঝগড়া বা আবেগগত দূরত্ব খুব সহজেই তৈরি হয়।
বিয়ের সময় নির্ধারণ তাই শুধু আর্থিক হিসাব না। আবেগ, সময়, সম্পর্ক গড়ার সুযোগ সব মিলেই এটা একটি জীবনের সিদ্ধান্ত। বয়স বাড়লে সুযোগ কমে যায়; আর কমে যায় সম্পর্ককে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার সেই সুবর্ণ সময়টাও।
Summery of this Article
অনেকে মনে করেন, বেশি বয়সে বা প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিয়ে করবেন। যদি আপনি বেশি বয়সে বিয়ে করেন তখন আপনার অজান্তেই নিজের মধ্যে গাম্ভীর্য চলে আসবে। তখন বিয়ে করার বিষয়টি এরকম হবে যে, বিয়ে করতে হবে তাই বিয়ে করেছি। কিন্তু বিয়ের যে উপাকারিতা বা সুফল রয়েছে তা পাওয়া যাবে না।
বেশি বয়সে বিয়ে করলে স্বামী-স্ত্রী নিজেদের জন্য খুব বেশি একটা সময় পান না। বরং বেশি বয়সে বিয়ে করার কারণে দ্রুত সন্তান জন্মদান করা ও সন্তানের দায়িত্ব পালন করার সময় এসে পড়ে। যার কারণে বিয়ে করার মাধ্যমে নিজদের জীবন সাজানো বা একাকী সময় কাটানোর সুযোগ হয়ে উঠে না। ফলে বুঝাবুঝির অভাবে সম্পর্কে সমস্যা বা ঝগড়া সৃষ্টি হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
