বিয়েতে যেসব সংস্কৃতি হারাম ইসলাম স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছে | Rizwan Ahmed
-
Rizwan Ahmed
বিয়েতে কিছু হারাম সংস্কৃতি, যেগুলো আমরা “কালচার” ভেবে গোনাহ করে ফেলি!
বিয়ে মানে শুধু অনুষ্ঠান না, এটা একটা ইবাদত। আর ইবাদতের শুরুটা যদি গোনাহ দিয়ে হয়, বরকত কেমন করে আসবে বলো?
👇 নিচের জিনিসগুলো আজও চলে, অথচ ইসলাম স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছে:
❌ পাত্রী দেখা: পাত্র ছাড়া অন্য পুরুষেরা এসে পাত্রী দেখা — সরাসরি পর্দা ভঙ্গ। 📖 সূরা আন-নূর ২৪:৩০-৩১
❌ বিয়ের আগেই দেখা-সাক্ষাৎ বা কল: “বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে” মানে হালাল হয়ে যায় না। নিকাহের আগে এসব যোগাযোগ হারাম। 📘 সহীহ মুসলিম ১৪০০
❌ গায়ে হলুদ: গান-বাজনা, নাচ, বেপর্দা মেলামেশা এসবই গোনাহ। ভাবীদের দিয়ে “গোসল করানো” নামের রীতিটা ভয়াবহ গোনাহ। 📘 সহীহ বুখারী ৯৮৭
❌ বেপর্দা নারীদের ভিড়: বিয়ে মানে “ফ্যাশন শো” না। পর্দা অনুষ্ঠানেও ফরজ। 📖 সূরা আহযাব ৩৩:৩৩
❌ গানবাজনা: রাসুল ﷺ বলেছেন, “আমার উম্মতের মাঝে এমন লোক আসবে যারা ব্যভিচার, রেশম, মদ, এবং বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে।” 📘 সহীহ বুখারী ৫৫৯০
❌ যৌতুক: যৌতুক নেয়া মানে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করা। 📖 সূরা নিসা ৪:২৯
❌ পুরুষের সোনা পরা: সোনার আংটি বা চেইন এগুলো পুরুষের জন্য হারাম। 📘 সহীহ মুসলিম ২০৯০
❌ শ্যালিকার হাত ধোয়ানো: “মজা করে” হলেও এটা গোনাহ। রাসুল ﷺ বলেছেন, “শ্যালিকা, দেবর ভাসুর মৃত্যু।” 📘 সহীহ বুখারী ৫২৩২
❌ পায়ে ধরে সালাম: ইসলামে পায়ে ধরে সালাম নেই। শুধু বলো “আসসালামু আলাইকুম”.
❌ মুশরিকদের অনুকরণ: কুলা, দুর্বা, আগুন, লতা—এসব রীতি সরাসরি মুশরিকদের অনুকরণ। রাসুল ﷺ বলেছেন, “যে কোন জাতির অনুকরণ করবে, সে তাদের অন্তর্ভুক্ত।” 📘 আবু দাউদ ৪০৩১
💭 একটু ভেবে দেখো, যে সম্পর্ক শুরুই হয় গোনাহ দিয়ে, সেখানে আল্লাহর বরকত থাকবে কিভাবে?
✨ আসুন, বিয়েকে আবার ইবাদতে ফিরিয়ে নেই। সুন্নাহ অনুযায়ী সহজভাবে বিয়ে করি। যেন শুরু থেকেই সম্পর্কটা হয় রহমতের গোনাহর না।
