মোহর পরিশোধ করে বাসর ঘরে প্রবেশের সম্মান যারা করেছে তারা জানে | Rizwan Ahmed
-
Rizwan Ahmed
মোহর শুধু অর্থের লেনদেন না, এটা স্বামীর প্রতিশ্রুতি আর দায়িত্বের প্রকাশ। যিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী মোহর পরিশোধ করে বাসর ঘরে যান তার অনুভূতি আলাদা। কারণ তিনি জানেন, তিনি একটি অধিকার পূর্ণ করেই নতুন জীবনে পা রাখছেন।
অবশ্য অনেকেই বলেন, পাত্রীপক্ষ নাকি ১৫–২০ লাখ টাকা মোহর দাবি করে। এখানে প্রশ্নটা খুব সোজা: যদি কোনো পরিবার আপনার সামর্থ্যের বাইরে মোহর চায়, তাহলে কি সত্যিই সেখানে আপনার বিয়ে করা প্রয়োজন? বিয়েতো চাপ নয়; সামঞ্জস্য আর সম্মতির বিষয়।
যে পাত্রী ও তার পরিবার আপনার সামর্থ্যকে মান্য করে, সেই মেয়েকেই বিয়ে করা বুদ্ধিমানের কাজ। প্রথম দিনেই পাত্রী পছন্দ হলে মোহরসহ সব চুক্তি পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত। এতে বিয়ের দিন কোনো ঝামেলা থাকে না, আর সম্পর্কও শুরু হয় পরিষ্কার ভিত্তির ওপর।
ইসলাম তো বলে, কুফু মিলিয়ে বিয়ে করাই উত্তম।
যার ২০ লাখ মোহর দেয়ার সামর্থ্য আছে, সে সেই সামর্থ্যের পাত্রীকে বিয়ে করবে। আর যার নেই, সে নিজের অবস্থার সঙ্গে মিল রেখে জীবনসঙ্গী খুঁজবে।
নিজেকে অযথা ভেজালে ফেলার কোনো দরকার নেই।
বিয়ে তখনই সুন্দর হয়, যখন সম্মান, সামর্থ্য আর সমঝোতা তিনটাই একসাথে মিলে যায়।
Summarise
মোহর পরিশোধ করে বাসর ঘরে প্রবেশ করা যে কত সম্মানের তা শুধুমাত্র যারা পরিশোধ করেছে তারাই জানে।
অনেকেই বলবে পাত্রীপক্ষ ১৫ ২০ লাখ টাকা দেনমোহর চায়।
আমাদের কথা হলো এই পাত্রীকে আপনার বিয়ে করার দরকার কি? যে পাত্রী/পাত্রীপক্ষ আপনার সাধ্যমতো মোহর নিতে রাজি হবে তাকেই বিয়ে করুন। পাত্রী পছন্দ হলেই মোহরের আলোচনা করে চুক্তি ফাইনাল করে ফেলবেন, তাহলেই আর বিয়ের দিন ঝামেলা হবে না।
কুফু মিলিয়ে বিয়ে করাই তো উত্তম তাই না? ২০ লাখ টাকা মোহর দেয়ার যে সামর্থ রাখে, সে তাকে বিয়ে করুক। আপনি ভেজালে যাবেন কেন?
