HADITH DESIGN 02
Facebook/Instagram Post Image Design

Welcome to My Facebook Page Post Design Work. This Post Image has been designed Specially for “HADITH DESIGN 02 – Facebook/Instagram Post Image Design​​​​​​​”. It is looking very Gorgeous on its Facebook Profile/Page. So, Don’t Forget to Share Your Feedback below.

Features

  • Very Nice and Minimal Design
  • Unique and Modern Design
  • Clean and Professional Design
  • RGB Color Mode 
  • Size: 1080px x 1080px
  • 72 DPI
  • Adobe Illustrator CC

THE TEXTS

প্রিয় নবি মুহাম্মদ সঃ এর এমন কিছু সুন্নাহ যা আমরা ভুলেই গেছিঃ
 
১। “মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজা।” – সহীহ মুসলিম-১৯৬৮
২। “বৃষ্টি আসলে দোয়া করা।” – সহীহ বুখারী-১০৩২
৩। “রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নির্জনে হাঁটা।” – বুখারী- ৫২১১
৪। “স্ত্রীর রান্না করা হালাল খাবারের দোষ না ধরা। খেতে মন না চাইলে চুপ থাকা।” – মুসলিম-২০৬৪
৫। কোনো কিছু জানা না থাকলে স্বীকার করা যে, আমি জানি না। – বায়হাকী-১৭৫৯৫
৬। “মাঝে মাঝে বিপদে আকাশের দিকে মাথা তোলা। আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহকে বলা।” – মুসলিম-৬৩৬০
৭। খুব খুশি হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়া। – মুখতাসার যাদুল মা’ আদ-১/২৭
৮। ধোঁয়া ওঠা গরম খাবার ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত না খাওয়া। –  বায়হাকি-৪২৮
৯। করযে হাসানা( সুদ বিহীন ঋণ) দেয়া।-২২৬৮২
১০। “নফল ও সুন্নাহ সালাতগুলো নিজের ঘরে পড়া।” – বুখারী-৭৩১
১১। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এবং বাসা ফিরে দুই রাকাআত সালাত আদায় করা। – মুসনাদে বাযযার-৮৫৬৭
১২। “দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জুতো না পরা। বিশেষ করে শো জুতা।” – আবু দাউদ- ৪১৩৫
১৩। “যতই ভালো খাবার হোক ভরা পেটে না খাওয়া।” – তিরমিযী-২৪৭৮
১৪। ফজরের সালাতের পর সালাতের স্থানে বসে তসবি পড়া। অতঃপর সূর্য উঠার পর দুই রাকাআত সালাত আদায় করা। – আরশিফু মুলতাকা- ৪৫৬৯
১৫। দ্বীনের দাওয়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি ভাষা শিখা। – মুসনাদে আহমাদ-২১৬১৮
১৬। বাড়িতে অজু করে রুমাল দিয়ে হাতপা মুছে মসজিদে জামায়াতে যাওয়া। –  তাবরানী-৬১৩৯
১৭। মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে দেয়া। – মুসনাদে আহমাদ- ২৭৫০৮
১৮। রাতে অজু অবস্থায় ঘুমানো। – ফাতহুল বারি- ১১/১১০
১৯। মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা। – আবু দাউদ- ৪১৬০
 
প্রিয় নবী (সঃ) এর পুরো জীবন আমাদের জন্য অনুসরণীয়। আমাদের ইহকাল ও পরকালের মুক্তির সিঁড়িগুলো হলো রাসূল সঃ এর প্রতিটি সুন্নাহ। আল্লাহ আমাদেরকে প্রিয় নবিজীর একনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে কবুল করুন।
 

Here You Go,,,

Final Results

Texts in Details

১। "মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজা।" - সহীহ মুসলিম-১৯৬৮

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ….. আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম এমন সময় বৃষ্টি নামল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাপড় খুলে দিলেন, ফলে এতে বৃষ্টির পানি পৌছল। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! এরূপ কেন করলেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, “কেননা এটা মহান আল্লাহর নিকট থেকে আসার সময় খুবই অল্প।”

২। "বৃষ্টি আসলে দোয়া করা।" - সহীহ বুখারী-১০৩২

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টি দেখলে বলতেন,

হে আল্লাহ! মুষলধারায় কল্যাণকর বৃষ্টি দাও।

৩। "রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নির্জনে হাঁটা।" - বুখারী- ৫২১১

‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখনই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে যাবার ইরাদা করতেন, তখনই স্ত্রীগণের মাঝে লটারী করতেন। এক সফরের সময় ‘আয়িশাহ (রাঃ) এবং হাফসাহ (রাঃ)-এর নাম লটারীতে ওঠে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রীতি ছিল যখন রাত হত তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে এক সওয়ারীতে আরোহণ করতেন এবং তাঁর সঙ্গে কথা বলতে বলতে পথ চলতেন। এক রাতে হাফসাহ (রাঃ) ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে বললেন, আজ রাতে তুমি কি আমার উটে আরোহণ করবে এবং আমি তোমার উটে, যাতে করে আমি তোমাকে এবং তুমি আমাকে এক নতুন অবস্থায় দেখতে পাবে? ‘আয়িশাহ (রাঃ) উত্তর দিলেন, হ্যাঁ, আমি রাযী আছি। সে হিসাবে ‘আয়িশাহ (রাঃ) হাফসাহ (রাঃ)-এর উটে এবং হাফসাহ (রাঃ) ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর উটে সওয়ার হলেন।
 
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নির্ধারিত উটের কাছে এলেন, যার ওপর হাফসাহ (রাঃ) বসা ছিলেন। তিনি তাকে সালাম দিলেন এবং তাঁর পার্শ্বে বসে সফর করলেন। পথিমধ্যে এক স্থানে সবাই অবতরণ করলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হলেন। যখন তাঁরা সকলেই অবতরণ করলেন তখন ‘আয়িশাহ (রাঃ) নিজ পা দু’টি ‘ইযখির’ নামক ঘাসের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে বলতে লাগলেন, হে আল্লাহ্! তুমি আমার জন্য কোন সাপ বা বিচ্ছু পাঠিয়ে দাও, যাতে আমাকে দংশন করে। কেননা, আমি এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কিছু বলতে পারব না।

৪। "স্ত্রীর রান্না করা হালাল খাবারের দোষ না ধরা। খেতে মন না চাইলে চুপ থাকা।" - মুসলিম-২০৬৪

আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত।
তিনি বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে কক্ষনো কোন খাদ্যের দোষ-ত্রুটি বর্ণনা করতে দেখিনি। তার (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইচ্ছা জাগলে খেতেন আর অনিচ্ছা হলে চুপ থাকতেন।

৫। কোনো কিছু জানা না থাকলে স্বীকার করা যে, আমি জানি না। - বায়হাকী-১৭৫৯৫

৬। "মাঝে মাঝে বিপদে আকাশের দিকে মাথা তোলা। আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহকে বলা।" - মুসলিম-৬৩৬০

আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আবান (রহঃ) ….. আবূ বুরদাহ (রাযিঃ) এর পিতার সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে মাগরিবের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলাম। তারপর আমরা বললাম, আমরা যদি তার সাথে ইশার সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করা পর্যন্ত উপবিষ্ট হতে পারতাম (তাহলে কতই না ভাল হত)। রাবী বলেন, আমরা বসে থাকলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আসলেন। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা এখনো পর্যন্ত এখানে উপবিষ্ট আছ? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমরা আপনার সাথে মাগরিবের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করেছি। তারপর আমরা বললাম যে, ইশার সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আপনার সাথে আদায় করার জন্যে বসে অপেক্ষা করি। তিনি বললেনঃ তোমরা অনেক ভাল করেছ কিংবা তোমরা ঠিকই করেছ।
 
তিনি (রাবী) বলেন, তারপর তিনি আকাশের দিকে মাথা তুললেন এবং তিনি অধিকাংশ সময়ই আকাশের পানে তার মাথা তুলতেন। অতঃপর তিনি বললেন, তারকারাজি অবস্থানের কারণেই আকাশ স্থিতিশীল রয়েছে। তারকারাজি যখন বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়বে তখন আকাশের জন্য ওয়াদাকৃত বিপদ আসন্ন হবে (অর্থাৎ- কিয়ামত এসে যাবে এবং আসমান ফেটে চৌচির হয়ে যাবে)। আর আমি আমার সহাবাদের জন্য শান্তি ও নিরাপত্তা স্বরূপ। আমি যখন বিদায় নিব তখন আমার সহাবাদের উপর ওয়াদাকৃত সময় এসে সমুপস্থিত হয়ে যাবে (অর্থাৎ- ফিতনা-ফাসাদ ও দ্বন্দ্ব-সংঘাত লেগে যাবে)। আর আমার সহাবাগণ সকল উম্মাতের জন্য রক্ষাকবচ স্বরূপ। আমার সাহাবীগণ যখন বিদায় হয়ে যাবে তখন আমার উম্মাতের উপর ওয়াদাকৃত বিষয় উপস্থিত হবে*

৭। খুব খুশি হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়া। মুখতাসার যাদুল মা' আদ-১/২৭ ৮। ধোঁয়া ওঠা গরম খাবার ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত না খাওয়া। বায়হাকি-৪২৮ ৯। করযে হাসানা( সুদ বিহীন ঋণ) দেয়া।-২২৬৮২

১০। "নফল ও সুন্নাহ সালাতগুলো নিজের ঘরে পড়া।" - বুখারী-৭৩১

যায়দ ইবনু সাবিত (রাযি.) হতে বর্ণিত যে,
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযান মাসে একটি ছোট কামরা বানালেন। তিনি (বুস্র ইবনু সায়ীদ) (রহ.) বলেন, মনে হয়, যায়দ ইবনু সাবিত (রাযি.) কামরাটি চাটাই দিয়ে তৈরি ছিল বলে উল্লেখ করেছিলেন। তিনি সেখানে কয়েক রাত সালাত আদায় করেন। আর তাঁর সাহাবীগণের মধ্যে কিছু সাহাবীও তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করেন। তিনি যখন তাঁদের সম্বন্ধে জানতে পারলেন, তখন তিনি বসে থাকলেন। পরে তিনি তাঁদের নিকট এসে বললেন, তোমাদের কার্যকলাপ দেখে আমি বুঝতে পেরেছি। হে লোকেরা! তোমরা তোমাদের ঘরেই সালাত আদায় কর। কেননা, ফরজ সালাত ছাড়া লোকেরা ঘরে যে সালাত আদায় করে তা-ই উত্তম। ‘আফফান (রহ.) যায়দ ইবনু সাবিত (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে একই রকম বলেছেন।

১১। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এবং বাসা ফিরে দুই রাকাআত সালাত আদায় করা। মুসনাদে বাযযার-৮৫৬৭

১২। "দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জুতো না পরা। বিশেষ করে শো জুতা।" - আবু দাউদ- ৪১৩৫

জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন,
“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদেরকে দাঁড়িয়ে জুতা পরতে নিষেধ করেছেন।”

১৩। "যতই ভালো খাবার হোক ভরা পেটে না খাওয়া।" - তিরমিযী-২৪৭৮

ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন একদিন এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে ঢেকুর তুললো। তিনি বললেন, আমাদের সামনে তোমার ঢেকুর তোলা বন্ধ কর। অবশ্যই যে সকল ব্যক্তি দুনিয়াতে বেশি পরিতৃপ্ত হবে তারাই কিয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত থাকবে।
হাসানঃ ইবনু মা-জাহ (৩৩৫০-৩৩৫১)
আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান এই সনদসূত্রে গারীব। আবূ জুহাইফা (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।

১৪। ফজরের সালাতের পর সালাতের স্থানে বসে তসবি পড়া। অতঃপর সূর্য উঠার পর দুই রাকাআত সালাত আদায় করা। – আরশিফু মুলতাকা- ৪৫৬৯

১৫। দ্বীনের দাওয়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি ভাষা শিখা। – মুসনাদে আহমাদ-২১৬১৮

১৬। বাড়িতে অজু করে রুমাল দিয়ে হাতপা মুছে মসজিদে জামায়াতে যাওয়া। – তাবরানী-৬১৩৯

১৭। মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে দেয়া। – মুসনাদে আহমাদ- ২৭৫০৮

১৮। রাতে অজু অবস্থায় ঘুমানো। – ফাতহুল বারি- ১১/১১০

১৯। মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা। – আবু দাউদ- ৪১৬০

আব্দুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক সাহাবী মিসরে অবস্থানরত ফাদালাহ ইবনু উবাইদ (রাঃ)-এর নিটক পৌঁছেন। অতঃপর তিনি বলেন, আমি কেবল আপনার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসিনি, বরং আমি এবং আপনি যে হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শুনেছি, আশা করি এ সম্পর্কে আপনার কিছু জানা আছে। তিনি বললেন, তা কোন্ বিষয়ে? তিনি বললেন, এরূপ এরূপ।

তিনি বললেন, আপনি একটি স্থানের নেতা, অথচ আপনার মাথার চুল উষ্কখুষ্ক দেখছি? সাহাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মাত্রাতিরিক্ত জাঁকজমক দেখতে নিষেধ করেছেন। তিনি (ফাদালাহ) বলেন, আপনার পায়ের জুতা দেখছি না কেন? তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মাঝে মধ্যে খালি পায়ে চলার আদেশ দিতেন।

So Much
For Watching

Don't Forget to
APPRECIATE...COMMENT
If You Like It...

Watch More Services…Visit Only On Our Website
Halal Dizworld
or Say Hello: support@halaldizworld.com
or Message on WhatsApp/Telegram: +8801673080400

Copyright © 2022 Halal Dizworld || ALL RIGHT RESERVED